×

রংপুর

নীলফামারী

বাজার থেকে প্যাকেটজাত ভোজ্য তেল উধাও

Icon

মো. রাজীব চৌধুরী রাজু, নীলফামারী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম

বাজার থেকে প্যাকেটজাত ভোজ্য তেল উধাও

ফাইল ছবি

নীলফামারীতে টানা ভারী বর্ষণ ও সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে বেড়েছে চাল, ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। কয়েক দিন ধরে বাজারে প্যাকেটজাত ভোজ্য তেলের সংকটও দেখা দিয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

জেলার শাখামাচা বাজার, সাহেব বাজার, নতুন বাজার ও বড় বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৯০ টাকা এবং বেগুন ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। সামুদ্রিক মাছ প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি সংকট দেখা গেছে প্যাকেটজাত ভোজ্য তেলে। বাজারে না থাকায় খোলা ভোজ্য তেল ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে খামারের সোনালী মুরগি প্রতি কেজি ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৫০ টাকায়।

শহরের আব্দুল বারী বলেন, “গত কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে সবজির দাম বেড়েছে। এতে নিম্ন আয়ের মানুষ চরম কষ্টে আছে।” রিয়াজুল হাসান চয়ন বলেন, “সয়াবিন তেল প্রতিটি পরিবারের জন্য জরুরি পণ্য, কিন্তু বাজারে প্যাকেটজাত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। খোলা তেল কিনতে হচ্ছে বেশি দামে।” তিনি জানান, বিকল্প হিসেবে তিনি সরিষার তেল ব্যবহার করছেন।

রিকশাচালক মানিক মিয়া বলেন, “তেলসহ সব কিছুর দাম এত বেশি যে আমাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।”

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নাইরুজ্জামান বলেন, “টিসিবির মাধ্যমে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ কার্যক্রম চলছে। বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।”

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সীমান্ত হত্যা ৭৫ শতাংশ কমেছে: উপদেষ্টা

সীমান্ত হত্যা ৭৫ শতাংশ কমেছে: উপদেষ্টা

‘প্রাথমিক-মাধ্যমিকে উপবৃত্তি বাতিল করেনি সরকার’

‘প্রাথমিক-মাধ্যমিকে উপবৃত্তি বাতিল করেনি সরকার’

কালবৈশাখী ঝড়ে ভেঙে পড়ল মোবাইল টাওয়ার

কালবৈশাখী ঝড়ে ভেঙে পড়ল মোবাইল টাওয়ার

রূপপুরে উৎপাদিত বিদ্যুতে মোট চাহিদার ১০ শতাংশ পূরণ হবে

রূপপুরে উৎপাদিত বিদ্যুতে মোট চাহিদার ১০ শতাংশ পূরণ হবে

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App