×

অর্থনীতি

জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট

বিপর্যয়ের মুখে শিল্পোৎপাদন

Icon

হরলাল রায় সাগর

প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ পিএম

বিপর্যয়ের মুখে শিল্পোৎপাদন

ছবি : সংগৃহীত

শিল্প-কারখানায় চাহিদা মতো মিলছে না গ্যাস, ডিজেল ও বিদ্যুৎ। আগে থেকেই গ্যাসের চাপ কম থাকলেও দুই মাস ধরে আরো যুক্ত হয়েছে ডিজেল ও বিদ্যুতের ঘাটতি। তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন কমেছে শিল্পকারখানায়। এর সঙ্গে পরিবহনের বাড়তি ব্যয়ও যুক্ত হয়েছে। ফলে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি শিল্পোৎপাদন। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন শিল্পোদ্যোক্তারা। এখন অনেকের পক্ষেই কারখানা চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।

গত দুই মাসে তৈরি পোশাক, ইস্পাত, সিমেন্ট, ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, সিরামিক, কাচ ও টেক্সটাইল, প্রকৌশল, সার, হিমায়িত মৎস্য, ভোগ্যপণ্য তৈরির কারখানাসহ সব শিল্পকারখানায় উৎপাদন কমছে এবং পরিচালন ব্যয় বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আর উৎপাদন কমায় রপ্তানিতেও ধস নেমেছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও ওষুধ শিল্প এখন চরম সংকটময় সময় পার করছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার ঢেউ বাংলাদেশেও আছড়ে পড়ায় সংকটময় পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটেছে। 

দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো গ্যাসের ওপর নির্ভিরশীল। ফলে গ্যাস সরবরাহ কমে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদনও সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। গ্যাস সংকট তীব্র হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে লোডশেডিং আরো বাড়তে পারে। এতে শিল্প উৎপাদন, বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং নগর জীবনে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

উদ্যোক্তারা বলছেন, দিন যতই যাচ্ছে, লোডশেডিং ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। গত সপ্তাহে দিনে যেখানে বিদ্যুৎ থাকত ৮ ঘণ্টা, এখন সেখানে থাকছে ৪ ঘণ্টা। অর্থাৎ লোডশেডিং দ্বিগুণ হয়েছে। এই সংকট মেটাতে ভরসা একমাত্র জেনারেটর। কিন্তু জেনারেটর চালাতেও প্রয়োজনমতো ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ দেয়ার কথা থাকলেও সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) অধীনে থাকা কিছু কারখানায় লোডশেডিং চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাত এখন উল্লেখযোগ্যভাবে আমদানিকৃত গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেও তার প্রভাব দ্রুতই বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প কার্যক্রম এবং রপ্তানি সক্ষমতার ওপর পড়ে। জ্বলানি আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে রিনিউএবল এনার্জির ওপর গুরুত্ব দেয়ার জন্য সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে বিকল্প উৎস তুলনামূলক বেশি থাকলেও এলএনজি বা এলপিজির ক্ষেত্রে সরবরাহের উৎস সীমিত। ফলে এই খাতে সংকট তৈরি হলে দ্রুত সমাধান খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। আর সেই কারণেই এলএনজি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়াকে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরো পড়ুন : ফসল পুড়ছে সেচের অভাবে, উৎপাদনে বিপর্যয়ের শঙ্কা

সূত্রগুলো বলছে, দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশ গ্যাসনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আসে। পাশাপাশি তৈরি পোশাক, সার, সিরামিক, কাচ ও টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন শিল্প খাতেও গ্যাসের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশের নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন ধীরে ধীরে কমে এসেছে। ফলে ঘাটতি পূরণে আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। বাংলাদেশ তেল-গ্যাস আমদানিতে মধ্যপ্রাচ্য নির্ভরতা বেশি। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে হরমুজ প্রণালি হয়ে আমদানি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এই রুট দিয়ে বিশ্বের বড় একটি অংশের জ্বালানি পরিবহন হয়ে থাকে। চলতি মাসে ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ হাজার টন করে এলএনজি নিয়ে ৫টি জাহাজ এসেছে দেশে। এ মাসেই আরো চারটি এলএনজি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এছাড়া ১৭টি জাহাজে ডিজেল দেশে আসার কথা থাকলেও, এখন পর্যন্ত এসেছে ৯টি। একটি জাহাজ পথে রয়েছে। বাকি ৭টির সূচি এখনো অনিশ্চিত। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ১৭০ থেকে ১৮০ কোটি ঘনফুট। বাকি চাহিদা পূরণে এলএনজি আমদানির ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আমদানিকৃত এলএনজির বড় অংশই আসে কাতার থেকে। বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় তুলনামূলক কম দামে গ্যাস পাওয়ায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে কাতারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। ধারণা করা হয়, বর্তমানে দেশের আমদানিকৃত এলএনজির প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই আসে এই দেশটি থেকে।

এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন দেখা দিলে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোকে স্পট মার্কেট থেকে গ্যাস কিনতে হয়। কিন্তু স্পট মার্কেটে দাম সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির তুলনায় অনেক বেশি।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে কাতারের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে তুলনামূলক কম দামে এলএনজি পেয়ে আসছিল। কিন্তু যদি সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে স্পট মার্কেট থেকে অনেক বেশি দামে গ্যাস কিনতে হবে। এতে সরকারের জ্বালানি ভর্তুকির চাপ বাড়বে।

জানা গেছে, গ্যাসের অভাবে ইতোমধ্যে ৫টি সারকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ধ হয়ে গেছে তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফলে চাহিদা মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) তথ্যানুযায়ী, চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে দৈনিক বিদ্যুতের সম্ভাব্য চাহিদা ১৭ হাজার থেকে ১৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। এ হিসাবে বর্তমানে দৈনিক তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে দেশে। পিডিবি বলছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ১৯৬ মেগাওয়াট। শনিবার সন্ধ্যায় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। চলতি মাসের মধ্যেই আদানি পাওয়ার, চট্টগ্রামের এসএস পাওয়ার এবং পটুয়াখালীভিত্তিক আরএনপিএল যৌথ উদ্যোগ থেকে ১ হাজার ৯৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার আশা করছে সরকারের সংস্থাটি। 

দেশের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র চট্টগ্রামে সচল থাকা এক হাজার ৬৭৬টি শিল্পকারখানার মধ্যে পোশাক, রি-রোলিং মিল, জাহাজ ভাঙা ও সিমেন্টের মতো ভারী শিল্পগুলোই প্রধান। জ্বালানিসংকটের কারণে এ ধরনের শিল্পে উৎপাদন প্রায় এক-চতুর্থাংশ কমেছে। এ ছাড়া সাভার-আশুলিয়ায় সাড়ে তিন শতাধিক সচল পোশাক কারখানা ও আনুষঙ্গিক প্রতিষ্ঠান আছে। সেগুলোতে দৈনিক উৎপাদন এক লাখ পিস থেকে নেমে এসেছে ৮০-৯০ হাজারে। 

গাজীপুরে ছোট-বড় প্রায় পাঁচ হাজার শিল্পকারখানা রয়েছে, যার একটি বড় অংশ টেক্সটাইল ও ডাইং। এখানে বিদ্যুৎ ঘাটতি ৩০ শতাংশে পৌঁছে যাওয়ায় উৎপাদন কমেছে প্রায় ২৫ শতাংশ। অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে প্রায় দুই হাজার ছোট-বড় বস্ত্র ও পোশাক কারখানায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। এ ছাড়া কুমিল্লার রপ্তানিমুখী বিভিন্ন ইউনিট, ময়মনসিংহের ভালুকা এলাকার টেক্সটাইল হাব এবং খুলনার সহস্রাধিক হিমায়িত মৎস্য ও পাটজাত পণ্য উৎপাদনকারী কারখানায় উৎপাদন ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। 

উৎপাদন কমার পাশাপাশি দ্রুত বাড়ছে ব্যয়। জ্বালানিসংকটে জেনারেটরনির্ভরতা বাড়ায় অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুতের তুলনায় খরচ দ্বিগুণ হয়েছে। পরিবহন ব্যয় ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় সময়মতো পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে অনেক উদ্যোক্তাকে বাড়তি খরচে বিকল্প ব্যবস্থায় যেতে হচ্ছে। এর সঙ্গে কাঁচামালের আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধি যুক্ত হয়ে রপ্তানি খাতেও চাপ তৈরি করছে। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করতে না পারা এবং গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণে ভারী শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। উৎপাদন সক্ষমতা হ্রাস ও ব্যয় বৃদ্ধির এই দ্বৈত চাপে দেশের শিল্প খাত এখন কঠিন সময় পার করছে। এ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। 

ঢাকার আশুলিয়ার মোটেক্স ফ্যাশনের মালিক মোহাম্মদ মাসুদ করিম জানান, কারখানায় কাজ চলে ১০ ঘণ্টার মতো। কিন্তু তিন-চার দিন ধরে এই সময়ের মধ্যে ৭ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকে না। কারখানা চালু রাখতে বাধ্য হয়ে জেনারেটর চালাতে হচ্ছে। কিন্তু জেনারেটর চালাতে দিনে প্রয়োজন ২৫০ থেকে ৩০০ লিটার ডিজেল। ১০০ থেকে ১৫০ লিটার পেতেই জীবন বের হয়ে যাচ্ছে। 

আশুলিয়া-গাজীপুরসহ দেশের অধিকাংশ শিল্প এলাকায় ৬ থেকে ৯ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে বলে জানিয়েছেন নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে এহসান শামীম। তিনি বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন ঘাটতি ও উৎপাদন খরচ দুটোই বেড়েছে। আর পণ্য পাঠানোর খরচ আগের তুলনায় ২০ শতাংশ বেড়েছে।

লোডশেডিংয়ের ফলে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো সবচেয়ে বেশি ভুগছে বলে জানান তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ। তিনি বলেন, কারখানা চালু রাখতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। কারখানাতে দিনে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে।

তৈরি পোশাকশিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশঙ্কা করছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আগামী এক-দুই মাসে পোশাক রপ্তানি ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ কমে যেতে পারে। এতে বার্ষিক রপ্তানি আয়ও বড় ধাক্কায় পড়তে পারে। উদ্যোক্তারা দ্রুত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, তা না হলে উৎপাদন, রপ্তানি ও কর্মসংস্থান- তিন ক্ষেত্রেই বড় ঝুঁকি তৈরি হবে।

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি-বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল ভোরের কাগজকে বলেন, বর্তমানে জ্বালানিসংকট বৈশ্বিক। বাংলাদেশে এর বড় প্রভাব পড়েছে। লোডশেডিং কম-বেশি হচ্ছে। জ্বালানি কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। শিল্প কারখানার কাঁচামালও বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে। কারখানায় উৎপাদন কমার পাশাপাশি ভোক্তাদের চাহিদা কমেছে। এ কারণে তাদের বিক্রয় বা রপ্তানিও কমেছে। তিনি বলেন, বর্তমান সংকট কেটে গেলেও স্বাভাবিক হতে বেশ সময় লাগবে। আমাদের আরো ভুগতে হবে। 

জ্বালানি আমদানি নির্ভরতায় ভুগতে হবে মন্তব্য করে এই শিল্পোদ্যোক্তা বলেন, সরকারের উচিত রিনিউএবল এনার্জির ওপর জোর দেয়া। তাহলে জ্বালানি আমদানি নির্ভরতা কমানো যাবে। ঝুঁকি থেকেও নিরাপদে থাকবে দেশের শিল্পোৎপাদন। 

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, তৈরি পোশাক খাত বর্তমানে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বৈশ্বিক মন্দা, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শুল্কের প্রভাবে রপ্তানি নিম্নমুখী। কারখানাগুলো পরিমিত সক্ষমতায় চলতে পারছে না, ফলে ফিক্সড কস্ট আনুপাতিক হারে বেড়েছে এবং অন্যান্য ব্যয় বেড়ে গেছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভুটানের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভুটানের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

কৃষক পরিবারের বিল লাখ টাকা

বিদ্যুৎ বিলে ‘তুঘলকি কাণ্ড’ কৃষক পরিবারের বিল লাখ টাকা

লাগেজে মিললো ১১০ কেজি গাঁজা, ২২ ভিক্ষু গ্রেপ্তার

লাগেজে মিললো ১১০ কেজি গাঁজা, ২২ ভিক্ষু গ্রেপ্তার

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে যা করতে হবে

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে যা করতে হবে

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App