ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
খেলার মাঠে আর মেলার অনুমতি নয়
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ১২:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে খেলার মাঠে মেলা করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ ও শেষ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এতে অংশ নেয়।
জেলা পর্যায়ের মাঠগুলোতে মেলার কারণে খেলাধুলা বন্ধ থাকা নিয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস কিন্তু ৬৪টা জেলার জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমি আশা করি যে এই মুহূর্তে আমরা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিগত অনেক সময় দেখেছি যুব এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয় মেলার জন্য পারমিশন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরে এখন পর্যন্ত কোনো মেলা উদযাপন করার জন্য কোনো দায়িত্ব বা কোনো পারমিশন দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও স্টেডিয়ামকে কেউ মেলার জন্য ব্যবহার করবে সেই সুযোগটি আমরা দেবো না।’
দুই সিটি করপোরেশন খেলার মাঠে হকার পুনর্বাসনের বিষয়ে আমিনুল হক বলেন, আমরা এরইমধ্যে মাঠগুলো পরিদর্শন করেছি। যেগুলো খেলার উপযোগী, সেগুলোতে নিশ্চয়ই তারা হকার পুনর্বাসন করবেন না এবং সে বিষয় নিয়ে আমরা প্রয়োজনে তাদের সঙ্গে কথা বলে সেগুলো নিশ্চিত করার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'সারা বাংলাদেশের জেলা স্টেডিয়াম, ক্রীড়া কমপ্লেক্স কিংবা সুইমিং কমপ্লেক্সগুলো সংস্কারের মাধ্যমে সচল করার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যাতে তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় তুলে আনার চেষ্টা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।'
তিনি আরো বলেন, সারা বাংলাদেশের কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি এবং কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে। সেগুলো যাতে সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয় বা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সে বিষয়গুলো নিশ্চিতের জন্য আমরা আমাদের জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার রয়েছেন তাদেরকে আহ্বান করেছি যে আপনাদের সঙ্গে আমাদের একটি যোগসূত্র এমনভাবে তৈরি হবে যে সূত্রের মাধ্যমে আমরা প্রত্যেকটি রুট লেভেলে তৃণমূল পর্যায়ে আমাদের যুবক এবং আগামীর প্রজন্ম যারা রয়েছে তাদেরকে কানেক্টেড করে আমরা যাতে কর্মসংস্থানগুলোা নিশ্চিত করতে পারি।
নতুন কুড়ি স্পোর্টসের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আশা করছি যে এই প্রথম সেশন শেষে আমরা দ্বিতীয়বার নতুন করে স্পোর্টস শুরু করবো। এই ধারাবাহিকতা যদি আমরা ধরে রাখতে পারি শেষ পর্যন্ত আগামী দুই এক বছর পরে কিংবা আগামী পাঁচ বছর পরে আমরা আশা করছি যে আমাদের এই জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মাধ্যমে আমরা যে কানেক্টিভিটি তৈরি করছি উপজেলা ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলাধুলার, আমরা আশা করি যে আমাদের পারিবারিক সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে আমরা একটি আমূল গুণগত পরিবর্তন আনতে পারবো বলে আমরা বিশ্বাস করি।’
