×

জাতীয়

‘সরকার মানবাধিকার কমিশনকে অকার্যকর করার পথে হাঁটছে’

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৮:৫১ পিএম

‘সরকার মানবাধিকার কমিশনকে অকার্যকর করার পথে হাঁটছে’

ছবি: ফাইল ফটো

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-২০২৬’ -এর খসড়া পর্যালোচনার পর এর ব্যাপক সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। টিআইবি মনে করছে, সরকার আবারও কমিশনকে সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার পথেই হাঁটছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটির পক্ষ থেকে আরো অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, খসড়া আইনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে কমিশনকে সরকার বা সংশ্লিষ্ট বাহিনীর অনুমতি ও প্রতিবেদনের ওপর নির্ভরশীল রাখা হয়েছে। তাছাড়া কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়াতে সরকারি দলের প্রভাব নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে বলেও দাবি করেছে টিআইবি।

বিবৃতিতে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি হওয়া অধ্যাদেশে মানবাধিকার কমিশনকে গুম-খুনসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় সরাসরি তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সুপারিশের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নতুন খসড়ায় ২০০৯ সালের বিতর্কিত ধারা পুনর্বহাল করে সেই স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে।’ 

তিনি বলেন, ‘অতীতে গুম-খুনসহ অধিকাংশ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। সেই বাস্তবতায় কমিশনকে বাহিনীর প্রতিবেদনের ওপর নির্ভরশীল করা হলে তা দায়ীদের সুরক্ষা দেবে।’

টিআইবি’র অভিযোগ, ‘খসড়া আইনের ১৩ ধারায় কমিশনকে স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা বা সেনাবাহিনীর সম্ভাব্য আটকস্থল পরিদর্শন ও তদন্তের সুযোগও বাতিল করা হয়েছে।’ 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিশনার নিয়োগে স্পিকার, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে অন্তর্ভুক্ত করায় কমিশনের ওপর সরকারের নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। 

এছাড়া কমিশন সরকারের কোনও মন্ত্রণালয় বা বিভাগের আওতাধীন হবে না— অধ্যাদেশের এমন গুরুত্বপূর্ণ বাক্যও বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। 

সংস্থাটি আরও বলেছে, কমিশনে নারী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতার পরিবর্তে যোগ্য প্রার্থী শর্ত যুক্ত করা হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটিকে পুরুষতান্ত্রিক ও সংখ্যাগরিষ্ঠতান্ত্রিক করে তুলতে পারে। 

টিআইবি বলেছে, কমিশনের ৩০ শতাংশ জনবল সরকারি কর্মকর্তা দিয়ে পূরণের সুযোগ এবং সরকারি কর্মকর্তাকে ছুটিতে কমিশনার নিয়োগের বিধান রাখার মাধ্যমে সংস্থাটিকে আবারও আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণাধীন ঠুটো জগন্নাথচ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। 

বিতর্কিত ধারাগুলো পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে টিআইবি বলেছে, সরকার যেন নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া মানবাধিকার সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে একটি কার্যকর ও স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠা করে। 

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যুব ফেলোশিপ চালুর প্রস্তাব ডাকসু ভিপির

সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যুব ফেলোশিপ চালুর প্রস্তাব ডাকসু ভিপির

চিকেনস নেক নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত শুভেন্দু সরকারের

চিকেনস নেক নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত শুভেন্দু সরকারের

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কাজ করছে সরকার

প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কাজ করছে সরকার

‘মশাল কি নিভে গেল বন্ধু?’

স্মরণ ‘মশাল কি নিভে গেল বন্ধু?’

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App