×

অর্থনীতি

অর্থনীতি

সংকট গভীর হওয়ার শঙ্কা

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০১:২৫ পিএম

সংকট গভীর হওয়ার শঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতি এক ভয়ংকর বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে চলেছে। নতুন বিনিয়োগ নেই বললেই চলে। পুরনো বিনিয়োগও ধুঁকছে। একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। গত বছরের ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই এক ধরনের অস্থিরতা শুরু হয়। একের পর এক আন্দোলন, দাবিদাওয়া, অন্তহীন বিক্ষোভ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, আস্থাহীনতা চরমে। সবকিছুর প্রভাব পড়েছে অর্থনীতিতে, ব্যবসা-বাণিজ্যে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে সরকারের রাজস্ব আয়ে। 

চলতি অর্থবছরের চার মাসেই রাজস্ব ঘাটতি ১৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময় বেশি ভ্যাট পাওয়ার কথা থাকলেও সেখানে খরা চলছে। আমদানি শুল্কেও মোটা অঙ্কের ঘাটতি পড়ছে। ফলে সরকারের নিজস্ব আয়ের জায়গাটিও ঝুঁকিতে। কাঙ্ক্ষিত আয় না হলে সরকারের ব্যয় মেটানোর জন্য ঋণনির্ভরতা বাড়তে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। 

ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, দেশের অর্থনীতিতে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আর এর জন্য মূলত রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও নীতিনির্ধারকদের অবহেলাকেই দায়ী। তাদের মতে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছে শিল্প খাত। ঋণের বর্তমান উচ্চ সুদহার, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও লাগামহীন চাঁদাবাজি, মুদ্রাস্ফীতি, ডলার সংকটসহ আরো অনেক কারণে ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা চরম সংকটজনক অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। সবচেয়ে উদ্বেগের কারণ, বর্তমান সরকার ও প্রশাসন এ খাতের সংকটকে কোনো গুরুত্বই দিচ্ছে না। 

সম্প্রতি, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এক অনুষ্ঠানে বলেন, ব্যাংক খাতের গোপন খেলাপি ঋণ, প্রভিশন ঘাটতি, পুঁজি ঘাটতি- সব সংকট একে একে সামনে আসছে। ব্যাংকের শরীরে যে এত রোগ তা আগে জানা যায়নি। বিনিয়োগ স্থবির, নীতিগত স্বচ্ছতা কম এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার না থাকায় অর্থনীতি চাপে রয়েছে। দেবপ্রিয় বলেন, দীর্ঘদিন ঢেকে রাখা খেলাপি ঋণের পাহাড়, প্রভিশনের গর্ত আর তারল্য সংকট- সব অসুখ এখন একে একে প্রকাশ্যে। এ বাস্তবতা তুলে ধরে দেশের নীতিনির্ধারণে স্বচ্ছতা ও সংস্কারহীনতার সমালোচনা করেন তিনি। একসঙ্গে ধরা পড়া এসব দুর্বলতা বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। তার অভিযোগ, প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া হঠাৎ বিদেশি বিনিয়োগ ঘোষণা ও নীতিগত অস্পষ্টতা বিনিয়োগ পরিবেশকে আরো দুর্বল করছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা অর্থনীতির পথ রুদ্ধ করছে। একইসঙ্গে সংস্কার ছাড়া বিদেশি বিনিয়োগ আনা স্বপ্নের মতো বলেও জানান তিনি।

ব্যাংকিং খাতের সমস্যার সমাধানে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ড. দেবপ্রিয় বলেন, পাঁচটি ব্যাংক একীভ‚ত করা, প্রশাসক নিয়োগ বা কিছু নিয়ম আগের অবস্থায় ফেরানো- এসবের বাইরে সুশাসন নিশ্চিত করতে কী করা হয়েছে? বর্তমান বিনিয়োগ পরিবেশ অত্যন্ত দুর্বল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি বহু বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সুদের হারসহ নীতিগত দিকনির্দেশনাও এখনো পরিষ্কার নয়। ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, সরকার সংস্কার ইস্যুতে রিলেরেসের মতো করে দৌঁড়াবে। আমরা দেখছি, তারা দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে লাঠিটা ফেলে দিয়েছেন। এখন লাঠি ছাড়াই দৌঁড়াচ্ছে। 

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদী সাত্তার বলেন, মে মাস থেকে রিয়েল ইফেক্টিভ এক্সচেঞ্জ রেট (আরইইআর) সূচক বাড়ছে, এটি রপ্তানিকারকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হওয়া উচিত। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন আর বাজার থেকে ডলার ক্রয় করে টাকার অবমূল্যায়ন ঘটাতে পারে না, ফলে আমদানি নিষেধাজ্ঞা শিথিল করাই একমাত্র বাস্তবসম্মত পথ, যা রপ্তানিকারকদেরও সহায়তা করবে। অধিকতর সক্রিয় আমদানি প্রবাহ নমনীয় বিনিময় হার ব্যবস্থাপনায় সহায়ক ভ‚মিকা রাখবে এবং রপ্তানি পরিবেশকে আরো গতিশীল করবে। তিনি বলেন, অর্থনীতির গতি কমলেও স্থিতিশীলতা এসেছে। কর্মসংস্থান বাড়াতে আরো উদার নীতি নিতে হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পালটা শুল্কের প্রভাবে রপ্তানি কিছুটা কমলেও বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে এখনো ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে বলে মনে করছেন তিনি।

দেশের অর্থনীতির রক্তক্ষরণ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ। তিনি বলেন, আমরা চিৎকার করলেও সরকার শুনছে না। তারা ব্যবসায়ী মহলকে কেয়ার করছে না। আনোয়ার উল আলম বলেন, বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণ প্রবাহ ব্যাপকভাবে কমে গেছে। এমনকি যারা এখন ঋণ নিচ্ছেন, তারা মূলত অন্য ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে নিচ্ছেন, যাতে সেই ঋণগুলো অনিয়মিত বা খেলাপি না হয়ে যায়। বিজিএমইএ-এর সাবেক এ সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, অর্থনীতির রক্তক্ষরণ হচ্ছে। সরকার কি শুনছে? দুঃখজনকভাবে ব্যবসায়ীদের কথায় তাদের কোনো আগ্রহ নেই।

আনোয়ার উল আলম বলেন, সরকার জ্বালানির দাম বাড়িয়েও সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারছে না। ২০২২ সালের পর থেকেই জ্বালানির সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রায় ৫০ শতাংশ ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। সবাই ঢাকায় এসে ‘টেসলা’ (অটোরিকশা) চালাচ্ছে। এই শহরের জনসংখ্যা এখন সাড়ে ৩ কোটি হয়ে গেছে। খেলাপি ঋণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৭ শতাংশ খেলাপি ঋণ থাকার সময় আইএমএফ বাংলাদেশকে মধ্যম মানের ঝুঁকিপূর্ণ বলেছিল। এখন তা ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। তার প্রশ্ন, আইএমএফ এখন বাংলাদেশের খেলাপি ঋণকে কোন মানের আখ্যা দেবে। আগে ঋণ পুনঃতপসিল করতে ঋণগ্রহীতাদের ছয় মাস সময় দেয়া হতো। কিন্তু এ সময় কমিয়ে তিন মাস করা হচ্ছে। তিনি মনে করেন, এ নীতি খেলাপি ঋণ আরো বাড়িয়ে দেবে।

বিল্ড-এর রিসার্চ ডিরেক্টর ড. ওয়াসেল বিন সাদাত বলেন, সৎ করদাতারা শাস্তির মুখে পড়ছেন, যা করনীতির ন্যায়বিচারের পরিপন্থি। এ কারণেই অর্থনীতির প্রায় ৮৫ শতাংশ এখনো অনানুষ্ঠানিক খাতে রয়ে গেছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারগুলো অর্থনীতির বাস্তব পরিস্থিতিকে যথাযথ গুরুত্ব দেয় না।

তথ্য বলছে, চলতি বছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে ১৭ হাজার ২২০ কোটি টাকা। এসময় রাজস্ব আয়ের তিনটি অনুবিভাগেই নেতিবাচক অবস্থানে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৭ শতাংশে। তবে বাজারদরের আগুনে ক্রেতার পকেট খালি হচ্ছে। তথ্য-উপাত্ত বলছে, বাসাভাড়া, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয়ের চাপ বেড়েছে। অন্যদিকে উচ্চ সুদের হার বহাল রেখে মূল্যস্ফীতি কমানোর নীতি ফলদায়ক হয়নি।

তথ্য বলছে, গত করবর্ষে ৪৫ লাখ মানুষ আয়কর দিয়েছিলেন। সে হিসাবে চলতি বছর এ রিটার্ন জমা দেয়ার হার অনেক কম। বিভিন্ন কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চাকরি হারানো, অনেক বড় করদাতার বিদেশে পালিয়ে যাওয়া ও উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে আয় সংকুচিত হওয়ার প্রভাব পড়েছে আয়কর রিটার্ন জমায়। আয়কর শাখার বৃহৎ করদাতা ইউনিট-এলটিইউ কাজ করে বড় পর্যায়ের করদাতাদের নিয়ে। সেখানে ব্যক্তি ও কোম্পানি শ্রেণির করদাতারাও ঠিকমতো কর দিতে পারছেন না।

মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ। কিন্তু পণ্যের দাম বাড়ায় এর সুফল হলো বাড়তি ভ্যাট। কিন্তু সেটিও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এক হাজার ২৬৩ কোটি টাকা পিছিয়ে। এই খাতে অক্টোবর পর্যন্ত আদায়ের লক্ষ্য ছিল ৪৮ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা। এ সময় আদায় হয়েছে ৪৬ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকা। উৎপাদন ও ভোগের নিম্নমুখী অবস্থায় শুধু মূল্যস্ফীতির কারণেই ভ্যাটের আদায় লক্ষ্যমাত্রার প্রায় কাছাকাছি। আগের চেয়ে পণ্য ও সেবার দাম বেড়ে যাওয়ায় কোনো পরিশ্রম ছাড়াই বেশি ভ্যাট আদায় করতে পেরেছে সরকার। যদিও ভোগের পরিমাণ কমেছে।

নতুন বিনিয়োগ, উৎপাদন, অবকাঠামো নির্মাণ স্থবির হয়ে যাওয়ায় ধস নেমেছে আমদানি খাতে। আলোচ্য সময়ে এই খাতে আদায়ের লক্ষ্য ছিল ৪১ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা। তবে এ সময় আদায় হয়েছে ৩৪ হাজার ৭৫১ কোটি টাকা। এই খাতে ঘাটতি হয়েছে ছয় হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা।

তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার মাত্র ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। অর্থ কাটছাঁট ও রাজনৈতিক বিবেচনায় নেয়া বিভিন্ন প্রকল্প বন্ধও রেখেছে সরকার। তার প্রভাব পড়েছে এডিপি বাস্তবায়নে। ফলে কমেছে আমদানি। আমদানি শুল্ক হারিয়েছে সরকার। প্রকল্পের ধীরগতির কারণে ভ্যাট আদায় ও ঠিকাদারদের কাছ থেকে উৎস করও কম আদায় হচ্ছে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে : আপাতদৃষ্টিতে রিজার্ভ বাড়া অর্থনীতির জন্য ভালো। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াচ্ছে, কিন্তু অর্থনীতিতে প্রয়োজনীয় আমদানি না হলে সার্বিক অর্থনীতির সাপ্লাই চেইনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এর অর্থ হলো, শিল্পের চাহিদা কমে গেছে। বিনিয়োগ থমকে আছে। এর প্রভাবে অর্থনীতির গতি শ্লথ হয়। মানুষ কাজ হারায়। ব্যবসার আয় কমে যায়। প্রবৃদ্ধি কমে যায়। কাক্সিক্ষত রাজস্ব আদায়ও হয় না। অর্থাৎ ব্যবসার মন্থরগতির জন্য সরকারের অভ্যন্তরীণ আয় একটি চক্রের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।

ব্যবসা-অর্থনীতিতে মন্দা থাকলে কাঙ্ক্ষিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন হয় না। ২০২৫ সালের সাময়িক হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৪ শতাংশের কম। এই হার আগের কয়েক বছরের ৬ শতাংশের বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারের তুলনায় বেশ কম। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এটি বড়জোর ৪.৮ শতাংশ হতে পারে বলে বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি থাকলে আগামী অর্থবছরের বাজেটের ব্যয় ও ঋণের প্রাক্কলনের চিত্র উল্টেপাল্টে যাবে। তিনি বলেন, রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি দেখা দিলে আমাদের ঋণও বেড়ে যাবে। ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রবৃদ্ধি না হওয়ায় আয়কর, করপোরেট কর, পরোক্ষ কর থেকে শুরু করে সব জায়গায়ই প্রভাব ফেলেছে। আমদানি কার্যক্রমও শ্লথ ছিল, প্রবৃদ্ধিও মাত্র ৬ শতাংশের মতো। এটা ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যার একটা প্রতিফলন। এসব কাটিয়ে উঠতে না পারলে ব্যয় করতে পারব না। ঋণচক্রে পড়ে যাব। সমস্যা সমাধান সম্পর্কে তিনি বলেন, রাজস্ব আদায় চাঙ্গা করতে গেলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে চাঞ্চল্য আনতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা-সক্ষমতা ও সুশাসনের দিকে নজর দিতে হবে। ব্যয়ের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী হতে হবে। সামষ্টিক অর্থনীতি ব্যবস্থাপনার উৎকর্ষ উন্নত করে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির দিকে নজর দিতে হবে।

বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, আমরা এখন এক কঠিন সময় পার করছি। দেশের সার্বিক অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা নতুন অর্ডার দিতে দ্বিধাগ্রস্ত হচ্ছেন। যদি দ্রæত সমাধান না হয়, তবে সংকট আরো গভীর হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতকে মুক্তি দিন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

এনইআইআর নিয়ে সরকারের সঙ্গে বসতে চান ব্যবসায়ীরা

মোবাইল ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন এনইআইআর নিয়ে সরকারের সঙ্গে বসতে চান ব্যবসায়ীরা

খুলনায় আদালত চত্বরে দুজনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

খুলনায় আদালত চত্বরে দুজনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

  শ্রীলঙ্কায় মৃত্যু বেড়ে ১৫৩, নিখোঁজ ১৯১

ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ার শ্রীলঙ্কায় মৃত্যু বেড়ে ১৫৩, নিখোঁজ ১৯১

সংকট গভীর হওয়ার শঙ্কা

অর্থনীতি সংকট গভীর হওয়ার শঙ্কা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App