অর্ধযুগ পরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সুবীর নন্দীর গান
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৯ এএম
ছবি : সংগৃহীত
অর্ধযুগেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে বাংলাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী মারা গেছেন। নিঃসন্দেহে সুবীর নন্দীর ভক্তদের জন্য এটা একটা দারুণ খবর! বরেণ্য এই শিল্পীর কণ্ঠ নতুন করে শোনার অপেক্ষায় ভক্তবৃন্দরা। কিন্তু এখনো তার গাওয়া কিছু গান অপ্রকাশিত রয়ে গেছে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীত পরিচালক তানভীর তারেকের সুর ও সংগীতে কিছু গানের কণ্ঠ দিয়ে গেছেন সুবীর নন্দী।
সুবীর নন্দী মৃত্যুর আগে সুরকার তানভীর তারেকের তত্ত্বাবধানে ১১টি গানের একটি বিশেষ প্রজেক্টে কণ্ঠ দিয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই পর্যায়ক্রমে গানগুলো প্রকাশ করা হচ্ছে। এই গানগুলোতে অ্যাকুস্টিক ইন্সট্রুমেন্টের ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে সেতার বাজিয়েছেন রাহুল মুখোপাধ্যায়। সেখান থেকেই ধারাবাহিকভাবে গানগুলো মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।
আরো পড়ুন: নির্বাচন নিরাপত্তায় আজ থেকে সারাদেশে মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
এরইমধ্যে এই সিরিজের বেশক’টি গান মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সুবীর নন্দীর কণ্ঠে এবারের গানটি লিখেছেন জাহিদ আকবর। গানের শিরোনাম ‘আমার আয়ু নিয়ে বাঁচো’। স্যাড রোমান্টিক ধাঁচের এই গানটি মুক্তি পাচ্ছে সাউন্ডস অব তানভীরের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে। একইসঙ্গে গানটি অ্যাপল মিউজিক, স্পটিফাইসহ অর্ধশত আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফরমে মুক্তি দেওয়া হবে।
গানটি প্রসঙ্গে তানভীর তারেক বলেন, সুবীর দা’র সঙ্গে এই গানগুলোর প্রজেক্ট আমার জীবনের অমূল্য স্মৃতির মতো। গানগুলো আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম গানটির কথাগুলো অসাধারণ। আর সুবীর দা’র কণ্ঠ নিয়ে নতুন করে তো বলার কিছু নেই। রিলস বা টিকটকের এই যুগে এখনো কিছু শ্রোতা রয়েছেন, যারা মেলোডিতে মগ্ন থাকতে চান, এই গানটা তাদের জন্য।
আরো পড়ুন: পালমারের হ্যাটট্রি ইংলিশ ফুটবলের ইতিহাসের পাতায় নাম
গীতিকার জাহিদ আকবর বলেন, তানভীরের সুরে কাজ করতে সব সময়ই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এই গানটি যে সুবীর দা’র কণ্ঠে ধারণ করা হয়েছে, তা আমার জানাও ছিল না। আমি ভেবেছি, গানটি পরে আর রেকর্ড হয়নি। কিন্তু এতদিন পর সুবীর দা’র কণ্ঠে আমার এই গানটি শুনতে পেরে সত্যিই মুগ্ধ হলাম। আমি মনে করি, শ্রোতারাও একইভাবে এই গানের মুগ্ধতা নিতে চাইবে বারবার। গানটির একটি লিরিক ভিডিও অবমুক্ত করা হবে প্রথমে। পরবর্তীতে আলাদা দৃশ্যধারণ করে একটি থিমনির্ভর মিউজিক ভিডিও প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। গানটি ঢাকার কোলাহল স্টুডিও, কলকাতার ভাইব্রেশন স্টুডিওতে ধারণ ও এর মিক্স মাস্টারিংয়ের কাজ করা হয়েছে লাসভেগাসের টিএফপি স্টুডিওতে।
