১৬৪ সেতু ও ওভারপাস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৩, ১০:৫৫ এএম
ফাইল ছবি
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের আওতায় নির্মিত ১৫০টি সেতু ও বিভিন্ন মহাসড়কের ১৪টি ওভারপাস আজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
একই সঙ্গে ময়মনসিংহ জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের উপর কেওয়াটখালি সেতু ও রহমতপুর সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, ডিটিসিএ ভবন, বিআরটিএর স্বয়ংক্রিয় মোটরযান ফিটনেস পরীক্ষা কেন্দ্র, বিআরটিসির বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন তিনি।
এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন। তারা বলছেন, সেতুগুলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জিডিপি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
অন্যদিকে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর বলছে, সেতুগুলো ও ওভারপাস প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও সময় সাশ্রয়ী করবে।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, যোগাযোগের যে মেগা প্রকল্পগুলো আছে, সেগুলোর সুযোগ সুবিধা কিন্তু আমরা এরই মধ্যে পাওয়া শুরু করেছি। ১৫০টি সেতুর মধ্যে কিছু সেতু নতুন করে সংস্কার করা হয়েছে এবং কিছু সেতু নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। এই সেতুগুলো আমাদের সীমান্তবর্তী এবং প্রান্তিক যে জনগোষ্ঠী আছে, তাদের যাতায়াতের বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। পাশাপাশি সড়ক-মহাসড়কের পাশে থাকা হাট বাজার ও রেলওয়ে ক্রসিংগুলোর জন্য সরাসরি চলাচল করা যানবাহনগুলোকে যানজটের মধ্যে পড়তে হয়। নতুন ১৪টি ওভারপাসগুলো তৈরি করার ফলে একটা নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হবে। এই ওভারপাসগুলো করিডোর ভিত্তিক যে উন্নয়ন এবং করিডোরের যে সুবিধা পাওয়ার কথা, সেই সুবিধা তৈরি হবে।
সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান বলেন, আগে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্রিজ ছিল না অথবা কোথাও ছোট ব্রিজ ছিল, সেখানে এবং সেগুলো বড় আকারে তৈরি হয়েছে। এগুলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও সময় সাশ্রয়ী করবে।
এ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) তেজগাঁওয়ের সড়ক ভবনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠান সূচি থেকে জানা গেছে, সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশরীরে অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হবেন। এরপর তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ করবেন।
