বাজুসের সাবেক সভাপতি দিলীপ রায়ের ব্যাংক হিসাব তলব
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ১০:২২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সাবেক সভাপতি ডা. দিলীপ কুমার রায়ের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সম্প্রতি বিএফআইইউ থেকে দিলীপ কুমার রায়ের ব্যাংক হিসাবের যাবতীয় লেনদেনের তথ্য চেয়ে ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠানো হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তের প্রয়োজনে এ তথ্য তলব করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও দুদক সূত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। খবর: বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি দিলীপ কুমার রায়ের সঙ্গে তার স্ত্রী অঞ্জলী রায় ও মেয়ে পিয়াঙ্কা রায়েরও ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে।
চিঠিতে দিলীপ কুমার রায় ও তার পরিবারের ব্যাংক সংক্রান্ত সব ধরনের লেনদেন, যেমন ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, লকার, সঞ্চয়পত্র, এফডিআরসহ সব ধরনের তথ্য চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়। তাদের হিসাব খোলার ফরম ও সরবরাহকৃত তথ্যও বিএফআইইউতে পাঠাতে বলা হয়। চিঠি পাওয়ার তিন কর্মদিবসের মধ্যে এ তথ্য পাঠাতে নির্দেশ দেয় বিএফআইইউ।
জানা গেছে, দিলীপ কুমার রায় বর্তমানে দেশে অবস্থান করছেন না। স্বপরিবারে কানাডায় অবস্থান করছেন।
আরও জানা গেছে, দিলীপ কুমার রায় দীর্ঘদিন ধরে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার সঙ্গেও জড়িত। হোমিওপ্যাথি বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন।
আওয়ামী সরকারের আমলে টানা পাঁচ মেয়াদে ১৫ বছর ধরে হোমিও বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে ছিলেন তিনি। এই সময়ে ২৭টি নতুন কলেজের অনুমোদন দিয়েছেন তিনি।
বায়তুল মোকাররমে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের দুটি দোকান কিনে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গ্রামীণ জুয়েলার্স। বসুন্ধরা মার্কেটেও গড়ে তোলেন ডায়মন্ডের শোরুম।
দিলীপ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে বিদেশে টাকা পাচারসহ বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে দুদকে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে দিলীপ কুমার রায়ের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল করলে তা বন্ধ পাওয়া যায় এবং হোয়াটস অ্যাপে কল করে তা সচল পাওয়া গেলেও তাতে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
