নবীনগরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সানশাইন জাতের আলু
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় আলুর প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হয়েছে। আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও উন্নত জাতের আলুর উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রদর্শনী প্লটের মাধ্যমে কৃষকেরা মাঠপর্যায়ে নতুন প্রযুক্তির সুফল সরাসরি দেখতে ও শিখতে পারছেন।
এসব প্লটে বিএডিসি উদ্ভাবিত আলু-১ (সানশাইন) জাতের আলু দেখা যাচ্ছে, যা আকর্ষণীয় রঙ, সমান আকার এবং বাজার উপযোগী গুণাবলীর কারণে কৃষকদের মধ্যে ইতোমধ্যেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে নবীনগরে প্রায় ২৮৫ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। প্রদর্শনী প্লটে মাঠপর্যায়ের ট্রায়ালে শতকরা ভিত্তিতে গড়ে প্রায় তিন মণ ফলন পাওয়া গেছে।
কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় আবহাওয়া ও মাটির সঙ্গে এই জাতটির সামঞ্জস্য ভালো দেখা গেছে।
কৃষকরা বলছেন, সমান আকৃতির আলু বাছাই ও বাজারজাতকরণে সুবিধা দেবে। উজ্জ্বল রঙের কারণে পাইকারি বাজারেও চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নত জাত, সুষম সার ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বিত বালাই দমন পদ্ধতি সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
কৃষকরা আগামী মৌসুমে ফলন সন্তোষজনক হলে আরও বেশি জমিতে সানশাইন জাতের আলুর আবাদ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছেন। কৃষি কর্মকর্তারা মনে করছেন, বাজারসংযোগ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত করা গেলে এই জাত স্থানীয় আলু উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নবীনগরে প্রদর্শনী প্লট ঘিরে কৃষকদের আগ্রহ এই মৌসুমে আবাদ বৃদ্ধির সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
