বনশ্রীতে শিশু হত্যা
ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী শিহাব রিমান্ডে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার রামপুরায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সেখানকার জ্যেষ্ঠ ছাত্র মো. শিহাব হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান এই আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবুল কালাম আজাদ রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেন।
আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা রামপুরা থানার এসআই সাইফুল ইসলাম।
রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলি ধরে বলেন, ‘মাদ্রাসায় কয়দিন পর পর এমন ঘটনা ঘটে। ওস্তাদের সেবা করতে হবে। তারা শুয়ে থাকেন আর ছাত্রদের দিয়ে হাত-পা টেপান। এগুলো করতে করতে তারা (ওস্তাদেরা) এক সময় এতে আকৃষ্ট হন এবং বলাৎকারের মতো ঘটনা ঘটে। এগুলো দেশের জন্য, সমাজের জন্য মানহানিকর। শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় ধাক্কা। তার সর্বোচ্চ সাত দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করছি।’
আদালতে আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলো না। পরে আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন, যা আগামি ৮ কার্যদিবসে শেষ করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে রামপুরার বনশ্রী সি-ব্লকে ‘আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা’ থেকে গামছা দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মো. আব্দুল্লাহ নামে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সুরতহাল করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পরদিন বুধবার (২০ মে) শিশু আব্দুল্লাহকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তার মা টুকু আরা খাতুন বুধবার রামপুরা থানায় শিহাব ও নাম না জানা আরো কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।
সেদিন রাতেই পাবনার বেড়া থানার খাকছাড়া গ্রাম থেকে শিহাবকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, শিহাব হোসেনের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে মাদ্রাসার চার ছাত্রের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে।
