আবাসিক হোটেলে গৃহবধূকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত মালিক গ্রেপ্তার
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ০৭:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
কুড়িগ্রামের চিলমারীর একটি আবাসিক হোটেলে রাত্রিযাপন করতে উঠে এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হোটেলের মালিক কবির মিয়াকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৯ মে) রাতে উপজেলার রমনা ইউনিয়নের রমনা ফেরিঘাট এলাকায় ঘটনা ঘটে। পরে ধর্ষণের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ঘুঘুমারীরচর এলাকার ওই দম্পতি সৈয়দপুরে খালার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। ফেরার পথে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে তারা চিলমারীর রমনা ফেরিঘাটে পৌঁছান। তবে ঘাটে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় কোনো নৌকা পাননি তারা। বাধ্য হয়ে রাত্রিযাপনের জন্য রমনা ঘাট এলাকার ‘হোটেল কলি’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন ওই দম্পতি।
হোটেলে ওঠার পর ওই নারীর স্বামী তার স্ত্রী ও আট মাস বয়সী সন্তানকে কক্ষে রেখে রাতের খাবার কিনতে স্থানীয় থানাহাট বাজারে যান। বাজার থেকে খাবার নিয়ে কক্ষে ফিরে এলে তার স্ত্রী কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি অভিযোগ করেন, স্বামী কক্ষে না থাকার সুবাদে হোটেলের মালিক কবির মিয়া আট মাসের শিশু সন্তানের সামনেই তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তারা ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে এবং বিষয়টি এড়িয়ে যায়।
পরদিন শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগীর স্বামী স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রুকুনুজ্জামান স্বপনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে বিষয়টি জানান।
খবর পেয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় চিলমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই নারী, তার স্বামী ও শিশুকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে চিলমারী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রাতেই উপজেলার সরকারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হোটেল মালিক কবির মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার জানান, ‘আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
