চব্বিশ ভুলবো না, একাত্তরও ভুলবো না: মির্জা ফখরুল
জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন জামায়াতে ইসলামী খুব কথা বলছে। তারা একাত্তর (১৯৭১) সালে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল। আমাদের পালিয়ে যেতে হয়েছিল। আমরা চব্বিশ ভুলবো না, একাত্তরও ভুলবো না। আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীনতা পেয়েছি৷ যুদ্ধ করেছি একটা স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সদর আসনের ফাড়াবাড়ি স্কুল মাঠে নির্বাচনী গণসংযোগে এসব কথা বলেন তিনি৷
জামায়াতের প্রার্থীকে না জেনে কথা না বলার আহ্বান জানিয়ে মহাসচিব বলেন, এ সরকার নিরপেক্ষ সরকার। ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবে, তারা সরকার গঠন করবে। এবার সুন্দর নির্বাচন হবে৷ মন যাকে চাইবে, তাকেই ভোট দেবেন৷ জেলার বড় বড় সড়ক, কলেজ-মাদরাসার উন্নয়ন, ভুট্টা চাষ, বরেন্দ্র টিউবওয়েল আমরা করেছি৷
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করতে চাই।
সংখ্যলঘুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের ভয় কাজ করে৷ ভয় করবেন না, আপনি এ দেশের নাগরিক, আমিও এদেশের নাগরিক। আপনাদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না৷ কেউ আপনাদের ক্ষতি করবে না। আপনাদের সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের, আমাদের সবার৷ এটা আপনাদের দেশ, আপনাদের মাটি। এটা আপনার জমি, আপনার দেশ।
যুবকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে বিদেশে পাঠাতে চাই, যাতে তারা স্বাবলম্বী হয়ে আয় করতে পারে৷ দক্ষিণাঞ্চলে প্রত্যেক ঘরে ঘরে একজন করে বিদেশে থাকে৷ বাইরে গেলে এলাকার উন্নয়ন হবে৷ তথ্য প্রযুক্তির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চাই৷ কৃষি ভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে চাই৷ বিমানবন্দর চালুর গুরুত্বের আগে আয় বাড়ানোকে গুরুত্ব দেব৷ বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশলী কলেজ করতে চাই৷ সবাই এক হলে কাজগুলো করা সম্ভব হবে৷
মির্জা ফখরুল বলেন, আমি আপনাদের পুরানা মানুষ৷ পরীক্ষিত মানুষ, এটা আমার শেষ নির্বাচন। এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দেবেন৷ ভোট আপনাদের আমানত, এটার খেয়ানত করবো না৷ আমরা বাপ-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি৷ সততার সঙ্গে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করবো৷
