নির্বাচন নির্বিঘ্ন করতে নজিরবিহীন সেনা মোতায়েন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:২৩ পিএম
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন। ছবি : সংগৃহীত
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাসদর। আগের নির্বাচনে যেখানে সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী এলাকায় দায়িত্ব পালন করতেন, সেখানে এবার প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং আস্থা ফিরিয়ে আনতেই বাড়তি এই মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে, যা ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।
নির্বাচনে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন এবং আগের নির্বাচনের তুলনায় এই সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোতে সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো, সেনাসদস্যদের ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা আগে ছিল না। আগে সেনাবাহিনী মূলত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী এলাকায় অবস্থান করত।
আরো পড়ুন : যে কারণে বাতিল হতে পারে প্রবাসীদের ভোট
তিনি আরো বলেন, সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সদস্য রেখে বাকি সেনাসদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োগ দিয়েছেন, যাতে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হয়।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর হোসেন জানান, প্রয়োজনীয় যানবাহনের ঘাটতি থাকায় অসামরিক প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষে সব সময় যানবাহন সরবরাহ সম্ভব না হওয়ায় প্রয়োজন হলে ভাড়া করা গাড়ির মাধ্যমেও টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সেনাসদস্যরা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে টহল পরিচালনা করছেন, যার মূল লক্ষ্য ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। এই কার্যক্রম ২০ জানুয়ারি থেকে আরো জোরদার করা হয়েছে।
