নোয়াখালী-২
স্বতন্ত্র প্রার্থীকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ আসনের বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ (স্বতন্ত্র) প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমানের গাড়িতে হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এতে কেউ আহত হননি।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের দিলদার মার্কেটের কাছে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানায়, কাজী মফিজুর রহমান আজ সন্ধ্যায় নির্বাচনী প্রচারণায় কাবিলপুর ইউনিয়নের দিলদার মার্কেটের দিকে এলে হঠাৎ তার গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে একদল যুবক। এ সময় দূর থেকে কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা গেছে। তবে ওই শব্দ গুলির কি না, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত হতে পারেননি।
কাজী মো. মফিজুর রহমান জানান, ‘ আজ বিকেলে তিনি কাবিলপুর ইউনিয়নে গণসংযোগ করেন। যার একপর্যায়ে মাগরিবের নামাজের সময় হলে তিনি কাবিলপুর ইউনিয়নের দিলদার মার্কেটের মসজিদে নামাজ আদায় করেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি গাড়িতে উঠে পরবর্তী কর্মসূচিস্থলে রওনা হন। তখন হঠাৎ একদল সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে তিনি এবং গাড়িতে থাকা তার লোকজন অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।‘
তিনি আরো জানান, গুলিতে গাড়ির কাচ ভেঙে গেছে। এ ঘটনার জন্য তিনি ধানের শীষের কর্মীদের দায়ী করেছেন এবং হামলাকারী ও তাদের হোতাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সেনবাগ বাজারে থানার মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন কাজী মফিজুরের কর্মী-সমর্থকেরা।
পাল্টা হামলার অভিযোগ করে বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুকও বলেন, ‘সেনবাগ উপজেলা পরিষদ এলাকায় আজ সন্ধ্যায় তার গাড়িতে ইটপাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা করে মফিজ সমর্থকেরা। এতে তার গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ সময় বিদ্রোহী প্রর্থীর গাড়িতে হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ মফিজুরের লোকজনই তাদের নিজেদের প্রার্থীর গাড়িতে হামলা চালিয়েছে।’
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাশার বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমানের গাড়িতে গুলি করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে গাড়িতে হামলা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, হামলায় গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন।
